জীবন কখনো থেমে থাকে না জীবন কখনো থেমে থাকেনি। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে, শত বাধা বিপত্তি পেরিয়ে ছুটে চলেছে যারা তারই করছে ভয়কে জয়। তাদেরকেই মনে রেখেছে এই পৃথিবী, তারাই পরছে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট।
যুগে যুগে অনেক সংকট এসেছে, এসেছে অনেক মহামারী,আসবে আরো দুঃসময় তবুও আমাদের এগিয়ে যেতে হবে সমনের দিকে।জীবন যে থেমে থাকেনা

করোনাভাইরাস যখন সারা পৃথিবী কে জাপটে ধরে আছ,সারা পৃথিবী যেখানে থমকে গেছে, যেখানে সবাই এই ভাইরাসটি কে ভয় পাচ্ছে সেখানে এই ছোট্ট শিশুটি এসবকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে করোনাভাইরাস পরাজিতকরে ফিরল জয়ের বেশে। পরিবার ছেড়ে একাই থাকলো করেন্টাইন, করোনা ভাইরাস কে পরাজিত করে বাড়ি ফিরল ১৮ দিন পর। যেখানে ছিল না তার পরিবার পরিজন।
আমদের সমাজের অনেক সুস্থ সবল তারা কেউ সাহস করে না করেন্টাইনে যাওয়া।তারা মনে করে 


করেন্টাইন করোনাভাইরাস থেকেও ভয়ানক।। পরিবারের কারো করোনাভাইরাস হলে একেতো সে যেতে পরীক্ষা করাতে তারপর আবার আশেপাশের মানুষের কুসংস্ক। আশেপাশে মানুষ জানতে পারলে তাদেরকে তারা এই সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিবে। আর এসবের কারণেই পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও আক্রান্ত হচ্ছ। আর আমরাদের সমাজে এরকম আনেক নিচু মনের ভীতু মানুষ আছে যারা অন্য কারো বিপদ হলে এখন তার সাহায্যে হাত বাড়িয়ে দেয় না। বরং নিষ্ক্রিয় দর্শক এর মত দূর থেকে দেখে হাসতে হাসতে চলে যায।। অথচ মানবসভ্যতা এমন হওয়ার কথা ছিল।

একজনের বিপদে এক জনের বিপদে আরেকজন সাহায্য করবে এটাই তো মানুষ।

আবার সমাজে কিছু মানুষ আছে যারা বলদ টাইপের ঘার ত্যাড়া। এরা বুঝে কম লেকচার দেয় বেশী। এরা কোনো কথাই বিশ্বাস করতে চায় না, মানতে চায় না কারো কথ। ।মনে করে করোনাভাইরাস হল বড় লোকের অসুখ অসুখ এসব আমাদের কিছু করতে পারবে না তাই বলে সব জায়গায় ঘুরে বেড়ায়। এরা বিশ্বাসই করে না যে লকডাউন হয়েছে তারা উৎসুক জনতার মত
বাইরে বের হয়ে দেখবে লকডাউন হয়েছে কিনা, রাস্তায় পুলিশ আছে কিন। পুলিশ যখন তাদের ধাওয়া দেয় তখন তারা দৌড়ে পালায়, পুলিশ যখন চলে যায় তখন তারা আবার দেখতে আসে অন্য কাউকে দৌড়ানি দিলো কিনা ।এদের কারণেই আমাদের এত অধঃপত।
এই ছোট্ট শিশুটিকে দেখে আমাদের শিক্ষা গ্রহণ করা উচিত, কিভাবে সচেতনা মাধ্যমে নিজেকে আবার ফিরে পাওয়া যায় ।
এই পৃথিবীতে তারাই জয়ী হয়েছে যারা ভয়কে করেছে জয়, শত বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে ।

Post a Comment

Previous Post Next Post