অন্যান্য ভাইরাস থেকে এটি আলাদা হওয়ার কারণ, এটির সুপ্ত অবস্থা। অন্যান্য ভাইরাস যেমন সাথে সাথে এর লক্ষণগুলো প্রকাশ করে তেমনি করোনাভাইরাস এর লক্ষণ গুলো সাথে সাথে প্রকাশ করে না ।তাই আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে অন্য
যে কেউ সহজেই আক্রান্ত হতে পা। কারণ  যে ব্যক্তি করনা ভাইরাসে আক্রান্ত সে নিজেই বুঝে উঠার আগে অন্য অন্যান্য ব্যক্তি তার সংস্পর্শে এসে আক্রান্ত হয়ে যায় । তাই এই ভাইরাসটি অন্যান্য ভাইরাস থেকে আলাদা। এছাড়া এর জেনেটিক বৈশিষ্ট্য অন্য  ভাইরাস থেকো একে আলাদা করে রেখেআকে,কারণ এটি তার জিন পরিবর্তন করতে সক্ষম তাই এটি যে কোন পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে পারে । এজন্যই সারা পৃথিবীতে এখনো এটি সবল রয়েছে

এ ভাইরাস থেকে মুক্তি পেতে হলে নিজেদেরকে সতর্ক হতে হবে ।আল্লাহ তাআলার রহমত এবং সতর্কতাঃ ছাড়া মুক্তি পাওয়া সম্ভব না ।


করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সতর্কতাঃ

১. সাবান দিয়ে ঘনঘন এবং কমপক্ষে 20 সেকেন্ড ধরে চলমান পানি দিয়ে হাত ধোবেন ।

২. নিজেকে সব সময় পরিষ্কার রাখবেন।

. কোথাও বের হলে মাক্স ব্যবহার করবেন।

৪.আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকবেন।

৫.হাঁচি বা কাশি দেওয়ার সময় কোনুই ব্যবহার করবেন । ৬. প্রয়োজন না হলে বাইরে বের হবেন না।

৭.বাজার করার সময়  মাক্স এবং গ্লাভস ব্যবহার করুন ।

৮. পচা মাছ মাংস কিনবেন না।

৯. ভালো করে রান্না করে খাবেন।

১০. বেশি বেশি ভিটামিন   3 সি জাতীয়  খাবার গ্রহণ করুন।

১১. এই ভাইরাসের লক্ষণ দেখা দিলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হন।


ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির লক্ষণ

 ১.অতি মাত্রায় জ্বর

 ২.ঠান্ডা লাগা

 .কাশি হওয়া

 ৪.শ্বাসকষ্ট

 ৫.বুকে ব্যথা 

Post a Comment

Previous Post Next Post