বাংলাদেশের প্রথম ভুল ছিল, এয়ারপোর্টের অব্যবস্থাপনা এবং দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের গাফিলতি। যখন বিদেশ থেকে বাংলাদেশে ফিরে আসে তখন তাদেরকে প্রাতিষ্ঠানিক করেনটাইনে না রেখে হোম করেনটাইনে পাঠিয়ে দেওয়া। যার মাধ্যমে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়ে করোনা ভাইরাস । যেটা এখন বাংলাদেশকে ভোগাচ্ছে। বাংলাদেশের উচিত ছিল সকল  সীমান্তবর্তী এলাকায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া এবং এয়ারপোর্ট গুলোতেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া। এই ব্যবস্থাটি  এমন হওয়া উচিত ছিল যেমন যুদ্ধে একটি দেশ তাদের সীমানা রক্ষা করে। এই ভাইরাসটির যখন মহামারি ধারণ করে তখনও আমাদের দেশে দায়িত্বে থাকা দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের ঘুম ভাঙেনি। এখন তার মাশুল গুণতে হচ্ছে।

আর দ্বিতীয় ভুল হচ্ছে, যারা ভাইরাস আক্রান্ত হয়েছে তাদের পরিচয় গোপন রাখা। এটা ছিল আমাদের দ্বিতীয় ভুল। কারণ আমরা বাঙালি জাতি হিসাবে অতটা সচেতন নই। যদি আক্রান্ত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং ঠিকানা গোপন করা না হতো তাহলে হয়তো এভাবে ছড়িয়ে পড়তো না। কারণ আমরা জানি, বাঙালি জাতির স্বভাবটাই এমন যে এরা বুঝতে চায় না। আমরা এমন দেখেছি এরা করোনাভাইরাস কে ভয় পায় না, ভয় পায় পুলিশকে। পুলিশের ভয়ে লুঙ্গি খুললেও মাস্ক মাস্ক বানাতে দেখেছি। যদি আক্রান্ত ব্যক্তির নাম-পরিচয় এবং ঠিকানা বলা হতো তাহলে মানুষ তার আশেপাশে তো দূরের কথা এক কিলোমিটার দূরত্বে থাকত এবং তাদের আত্মীয়-স্বজনদের থেকেও দূরে থাকত,তার বন্ধু-বান্ধবের থেকেও দূরে থাকত এতে করে সামাজিক দূরত্বটা অন্তত বজায় থাকত। এবং ভাইরাসটি এভাবে ছড়িয়ে পড়তো না। মানুষ যখন তখন মানুষ ভাইরাসটিকে ভয় পেত এবং ঘর থেকে বের হতো না। সকল বিধি-নিষেধ মেনে চলত। অনেকে আবার বলতে পারে, ভাই এদের খাবার দিবে ? জরুরী প্রয়োজনে সেবা দিবে কে? ভাই আমি তাদের বলছি, এখন যেভাবে পুলিশ-সেনাবাহিনী লক্ষ লক্ষ মানুষের সেবা দিচ্ছে তখন হয়তো কয়েক হাজার মানুষের সেবা দিতে হতো এবং সেনাবাহিনী পুলিশ প্রশাসন তাদের সেবা দিতে পারতো।
সুতরাং আক্রান্ত ব্যক্তিদের পরিচয় গোপন করা ছিল আমাদের দ্বিতীয় এবং বড় ভুল।

Post a Comment

Previous Post Next Post